Thursday , February 22 2018
Home / বিনোদন / ক্রিকেটার মুসফিক কে যে প্রস্তাব দিলো হিরোইন আলম > দেখুন ………

ক্রিকেটার মুসফিক কে যে প্রস্তাব দিলো হিরোইন আলম > দেখুন ………

বিস্তারিত দেখুন আরো…..

 কালে সেই ‘হিরো আলম’ আকস্মিক উপস্থিত মুশফিক-তাসকিন-নাসি রদে র মাঝে। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে এ সকল ক্রি লেন, তুললে ন ছবিও। তাকে কাছে পেয়ে দেশের ক্রি কেট হিরোরাও হলেন আনন্দে উচ্ছ্বসিত।


মঙ্গলবার হিরো আলম যখন মিরপুর স্টেডিয়ামে আসেন তখন সেখানে উপস্থিত মানুষ হিরো আলমের সঙ্গে ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে যান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মুশফিক এবং তাসকিন তাদের অফিসিয়াল পেজে হিরো আলমের সঙ্গে তোলা ছবিও পোস্ট করেছেন।
মুশফিক সেখানে লিখেছেন, আমার সাথে কে চিনতে পারছেন? সে হিরো আলম। আর তাসকিন লিখেছেন, বন্ধুরা দেখুন আমার সাথে সাক্ষাৎ করতে এসেছেন হিরো আলম।
 
এদিকে মুশ ফি ক-তাসকিনের অফিসিয়াল পেজে দেওয়া এই ছবি, ইতিমধ্যে সো শ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন জনে তাদের ফে জবুক পাতায় এই ছবি পোস্ট করে লিখছেন নানা কথা, কেও কেও লিখছেন, হিরো আলমের সাথে মুশফিক, নাকি মুশফিকের সা থে হিরো আলম কোনটা বলি?
 
আলোচিত এই হিরো আলম পেশায় একজন ডিস লাইন ক্যাবল অপারেটর ব্যবসায়ী। তবে তার পুরোনো সব যেন হারিয়ে গেছে এখন! কিন্তু তিনি কী এমন করেছেন যা নিয়ে এত হই-চই। যাকে ঘিরে মেতে উঠেছে মূলধারার গণমাধ্যমও!
 
কে এই হিরো আলম
 
সিডি বিক্রি করতেন আশরাফুল আলম। সেটা বেশ আগের ঘটনা। সিডি যখন চলছিল না তখনই মাথায় আসে ক্যাবল নেটওয়ার্ক ব্যবসার। ভাবলেন নিজ গ্রামেই সেটা করবেন, এবং করে ফেললেন। বগুড়ার এরুলিয়া ইউনিয়নের এরুলিয়া গ্রামেই শুরু হয় আলমের ডিশ ব্যবসা।
 
ছোটবে লা থেকেই অভাব-অনটনের সাথে চলা আলমের পরিবার তাকে আ রেক পরিবারের হাতে তুলে দেয়। আলম চলে আসেন একই গ্রা মের আ ব্দুর রাজ্জাকের বাসা য়। আ ব্দুর রাজ্জাক তাকে ছেলের মতো করেই বড় করে তোলেন। স্নেহ করতেন। কিন্তু গ্রামে অভাব তো প্রা মানুষের আছে। আলমের পালক পিতা আব্দুর রাজ্জাকের সংসারও অভাবের ছোঁয়া পায়। স্থানীয় স্কুলে স প্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ে আলমকে নেমে পড়তে হলো জীবিকা নির্বাহের তাগিদে।
 
সিডির ব্যবসা করতেন আলম। ক্যাসেটে দেখতেন মডেলদের ছবি। সেই থেকে মাথায় ঢোকে মডেল হওয়ার। ২০০৮ সালেই করে ফেলেন একটা গানের সাথে মডেলিং । সেটাই ছিল শুরু। এরপরে সেসব মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে সংসারে মনোযোগী হন। ২০০৯ সালে বিয়ে করেন পাশের গ্রামের সুমী নামের এক তরুণীকে। আলম সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়লে ও সুমী পড়েছেন এসএসসি পর্যন্ত। তাদের সংসারে আসে নতুন দুই অতিথি। নিজের নামের সাথে মিলিয়ে রাখেন সন্তানদের নাম। পুত্র আবির ও কন্যা আলো। এখন সংসার আর ব্যবসা নিয়েই ব্যস্ত আলম।
অভা বের মধ্যে দি য়ে বড় হলেও আলমের মনে বড় কিছু করার স্বপ্ন রয়েছে। সেই স্বপ্নে র টানে এক সময় মিউজিক ভিডিও বানানোর কাজ শুরু করেন তিনি। এ কে একে বানিয়ে ফেলেন ৫০০ মিউজিক ভিডিও। যেগুলোতে নায়কের চরিত্রে তিনি নিজেই অভিনয় করেছেন।
 
ফেসবুক ও ইউটিউবে আলমের সেসব ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তিনি খ্যা তি পেয়েছেন ‘হিরো আলম’ নামে। দেশের সর্বমহলে বর্তমানে তার পরিচিতি রয়েছে।
আলম বলেন, আমার মডেল হওয়ার ইচ্ছে ছিল আগে। যখন সিডি বিক্রি করতাম। আমি জানি না এসব ইচ্ছে পূরণ হয় কি না, তবে লেগে ছিলা ম। হয়েছে। অনে কে বলে বাজে হয়েছে আমি কান দেই না। অনেকে আবার বলে ভালোই হয়েছে । আমি গ্রামের ছেলে মন যা চায় করি। মানুষের কথায় কান দেওয়ার ইচ্ছে নেই।
এরুলিয়া ই উনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ বলে ন, ”আলম সম্পর্কে জানি সে ডিশ ব্যবসা করে। নির্বাচনও করে। দুইবার দাঁড়িয়েছি ল। হেরে গেছে। তবে এলাকার মানু ষজন তাকে পছন্দ করে। নির্বাচনে এবার সে দ্বিতীয় হয়েছে। ছেলে হিসেবে খারাপ না, তবে শুনছি ম ডে লিং-এর দিকে তার ঝোঁক।”

বিস্তারিত দেখুন আরো…..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *